‘সুস্থ দেহে সুন্দরমন’- এই প্রবাদটির আলােকে তােমার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দৈনিক কার্যক্রমের একটি ধারাবাহিক তালিকা

‘সুস্থ দেহে সুন্দরমন’ -এই প্রবাদটির আলোকে তোমার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দৈনিক কার্যক্রমের একটি ধারাবাহিক তালিকা তৈরি কর। (সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত)। ১০ম সপ্তাহের জন্য নির্ধারণ করা শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিষয়ে বিস্তারিত কাজ সম্পন্ন করে যথা নিয়মে সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হবে।

‘সুস্থ দেহে সুন্দরমন’- এই প্রবাদটির আলােকে তােমার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দৈনিক কার্যক্রমের একটি ধারাবাহিক তালিকা

 

“সুস্থ দেহে সুন্দরমন” – এই প্রবাদটির আলোকে তোমার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দৈনিক কার্যক্রমের একটি ধারাবাহিক তালিকা তৈরি কর। (সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত।)

নমুনা সমাধান

শারীরিক সুস্থতার প্রধান বাহনই হলো ব্যায়াম। ব্যায়াম ছাড়া একজন মানুষের শারীরিক সুস্থতা আশা করা যায় না।

সুখি সুন্দর জীবন যাপনের জন্য সুস্থতার বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকেনা। “সুস্থ দেহে সুন্দর মন” এটি একটি প্রবাদ বাক্য যা সর্বকালে সত্য বলে প্রমানিত। সুস্থতায় সুন্দর, সুন্দরই জীবন তাই দেহ মনে সুস্থ সুন্দর স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য সুস্থ দেহে সুন্দর মন অত্যাবশক। মন ছাড়া দেহ এককভাবে চলতে পারেনা। ব্যায়াম ও খেলাধুলা শুধু দেহের বৃদ্ধি ঘটায় না, মনেরও উন্নতি সাধন করে। শরীর ও মন একে অপরের পরিপূরক। একটিকে ব্যতিরেকে আরেকটির কল্পনা করা যায় না। দেহ ভাল না থাকলে মন খিটখিটে থাকে। সবকিছুতেই যেন অনিহা। সুস্থ দেহে সুন্দর মন। শরীর হচ্ছে মনের আধার। তাই শারীরিক সুস্থতার উপর নির্ভর করে মানসিক সুস্থতা। শারীরিক সুস্থতা, মানসিক বিকাশে ভূমিকা পালন করে। মানসিক সুস্থতার জন্য শারীরিক সুস্থতার প্রয়োজন। শরীর ভালো না থাকলে মন ও ভালো থাকে না। কোন কিছুতেই মন বসেনা এক কাজে মনকে স্থির করা যায় না। আর শারীরিক সুস্থতার প্রধান বাহন হলো ব্যায়াম। ব্যায়াম ছাড়া একজন মানুষের শারীরিক সুস্থতা আশা করা যায় না। ব্যায়াম ও খেলাধুলা শুধু দেহের বৃদ্ধি ঘটায় না, মনের উন্নতি সাধন করে কারণ মন ছাড়া দেহ একক ভাবে চলতে পারে না।

পরিশেষে আমরা বলি, “ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল, সুস্থ দেহে সুন্দর মন।”

নিম্নে আমার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার বৈশিষ্ট্যের কার্যক্রমের একটি ধারাবাহিক তালিকা তৈরি করা হলো:

সকাল :

(১) শারীরিক সুস্থতার জন্যঃ শারীরিক সুস্থতার জন্য আমি নিয়মিত পরিমিত ব্যায়াম করে থাকি। সকালে ব্যায়াম করলে এর সুফল পাওয়া যায় বেশি। তাই আমি সকালে ব্যায়াম করি। অনেক ধরনের ব্যায়াম রয়েছে তবে আমি সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম  বা ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করে থাকি। আমি যেসকল ব্যায়াম করে থাকি সেগুলো হলঃ

  • স্পিড এক্সারসাইজ
  • সিট আপ
  • হাঁটু ভেঙ্গে সিট আপ
  • চিন আপ
  • পুশ আপ
  • হেড স্প্রিং
  • নেক স্প্রিং
  • হ্যান্ড স্প্রিং
  • বল পাসিং

উপরের উল্লেখিত ব্যায়াম আমার শারীরিক পেশীকে মজবুত ও সুগঠিত করে। অতিরিক্ত ব্যায়াম শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে দেহ ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই পরিমিত ব্যায়াম করা উচিত।

দুপুর :

দুপুরে তেমন কোনো ব্যায়াম আমি করি না। দুপুরে খেয়ে বিশ্রাম করি কিছুক্ষন। খাওয়ার পর পর ব্যায়াম করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই খাওয়ার পর ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকা কল্যাণকর।

সন্ধ্যা : এই সময়ে সাধারণর ফ্রি হ্যান্ডং এক্সারাইজ করে থাকি। এতে কোন সরঞ্জামের ব্যবহার প্রয়োজন হয় না। মাটিতেই করা যায়। এর মধ্যে হ্যান্ড স্ট্যান্ড এর হেড স্ট্যান্ড অন্যতম। হ্যান্ড স্ট্যান্ড মূলত হাতের তালুতে ভর করে দাঁড়ানো হয় এবং হেড স্ট্যান্ড হলো মাথার উপর ভর করে দাঁড়ানো। এ পদ্ধতিতে কিছুক্ষণ ব্যায়াম করে থাকি।

রাত: রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যায়। কারণ প্রতিটি মানুষের দিনে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। তা নাহলে শরীর আর মন দুটোই অবসাদ আর ক্লান্ত বোধ করে। ব্যায়ামের পাশাপাশি বিশ্রাম আর বিনোদনের উভয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তাই আমি চেষ্টা করি প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণের খাওয়া দাওয়া, বিশ্রাম করা, শরীরচর্চা সবই করে থাকি। তাই শরীর আর মন উভয়ের প্রতি মানুষের যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

প্রকাশিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধানটি শুধুমাত্র নমুনা উত্তর। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আমরা প্রতি শ্রেনীর, সকল সপ্তাহের, সকল বিষয়ের নমুনা সমাধান এখানে দিয়ে থাকি। সুতরাং শিক্ষার্থীদের প্রতি অনুরোধ এই উত্তর যেন হুবহুব অ্যাসাইনমেন্ট আকারে জমা না দেওয়া হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top