এ্যাসাইনমেন্ট

পোষ্টার পেপারে / ক্যালেন্ডরের উল্টে পাতায় / আর্টপেপারে উদ্ভিদকোষ ও প্রানিকোষের চিহ্নিত চিত্র আঁক

উদ্ভিদকোষ ও প্রানিকোষের চিহ্নিত চিত্র অংকন করে এদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য উল্লেখ কর। কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রনকারী অঙ্গানুর চিত্র গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।

পোষ্টার পেপারে / ক্যালেন্ডরের উল্টে পাতায় / আর্টপেপারে উদ্ভিদকোষ ও প্রানিকোষের চিহ্নিত চিত্র আঁক। এদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য উল্লেখ কর। কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রনকারী অঙ্গানুর চিত্র গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর। ৬ষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান (দ্বাদশ সপ্তাহ) অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান।

উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষের চিত্র অঙ্কন সহ এদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য

জীবদেহের গঠন ও কাজের একক কে কোষ বলে। কোষ হলো সকল জীবদেহের গঠন, বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপ ও বংশগতিমূলক তথ্য বহনকারী একক। কোটি কোটি কোষ দ্বারা জীবদেহ গঠিত। এজন্য একে জীবের নির্মাণ একক নামে আখ্যায়িত করা হয়। নিম্নে একটি প্রাণী কোষ ও একটি উদ্ভিদ কোষের চিহ্নিত চিত্র অংকন করা হলো:

সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য
১) উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষে সাইটোপ্লাজম থাকে।

Related Articles

২) উভয়ের মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।

৩) উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষে গলজি বস্তু বিদ্যমান।

৪) নিউক্লিয়াস উভয়ের মধ্যে বিদ্যমান।

৫) উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষে কোষ ঝিল্লি থাকে।

১) উদ্ভিদ কোষে কোষপ্রাচীর উপস্থিত, যা প্রাণী কোষে অনুপস্থিত।

২) উদ্ভিদ কোষ কোষপ্রাচীর দ্বারা আবৃত। প্রাণী কোষ প্লাজমা পর্দা দ্বারা আবৃত।

৩) উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড উপস্থিত, যা প্রাণী কোষে অনুপস্থিত।

৪) উদ্ভিদ কোষে কোষ গহ্বর বড় থাকে। কিন্তু প্রাণী কোষে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষ গহ্বর থাকে।

৫) উদ্ভিদ কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না, যা প্রাণী কোষে থাকে।

কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রনকারী অঙ্গানুর গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।

প্রোটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান গোলাকার ঘন বস্তুটি নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াস কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। একটি নিউক্লিয়াস প্রধানত চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত, যথা-

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বা নিউক্লিওপর্দা :- নিউক্লিয়াস কে ঘিরে রাখে যে ঝিল্লি তাকে নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বলে ৷ এটি দ্বিস্তরবিশিষ্ট ঝিল্লি ৷ এ ঝিল্লি লিপিড ও প্রোটিন এর সমন্বয়ে গঠিত ৷ এ ঝিল্লীতে মাঝে মাঝে কিছু ছিদ্র থাকে, একে নিউক্লিয়ার রন্ধ্র বলে ৷ এই ছিদ্রের মাধ্যমে কেন্দ্রিকা ও সাইটোপ্লাজম এর মধ্যে কিছু বস্তু চলাচল করে ৷ এই ঝিল্লী সাইটোপ্লাজম থেকে কেন্দ্রিকার অন্যান্য বস্তুকে পৃথক করে ও বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে ৷

নিউক্লিওপ্লাজম :- কেন্দ্রিকা ঝিল্লির অভ্যন্তরে জেলির ন্যায় বস্তু বা রসকে কেন্দ্রিকারস বা নিউক্লিওপ্লাজম বলে ৷ কেন্দ্রিকা রসে নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন , উৎসেচক, আরএনএ, বিভিন্ন এনজাইম, (ডিএনএ পলিমারেজ, আরএনএ পলিমারেজ, নিউক্লিওটাইড ট্রাইফসফাটেজ, নিউক্লিওসাইড ফসফোরাইলেজ, কাইS নেজ, ডিহাইড্রোজিনেজ, এন্ডোনিউক্লয়েজ), আরএনপি দানা, অল্প পরিমাণে লিপিড ও কতিপয় খনিজ লবণ থাকে ৷

নিউক্লিওলাস :- নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রিকার মধ্যে ক্রোমোজম এর সাথে লাগানো গোলাকার বস্তুকে নিউক্লিওলাস বা কেন্দ্রিকাণু বলে ৷১৭৮১ সালে বিজ্ঞানী ফনটানা (Fontana) সর্বপ্রথম নিউক্লিওলাস আবিষ্কার করেন। ক্রোমোজোমের রঙঅগ্রাহী অংশের সাথে এরা লেগে থাকে ৷ এরা RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত ৷ এরা নিউক্লিক অ্যাসিড মজুত করে ও প্রোটিন সংশ্লেষণ করে ৷ ক্রোমোজোমের যে স্থানে নিউক্লিওলাস সংযুক্ত থাকে তাকে বলা হয় SAT বা স্যাটেলাইট।

ক্রোমাটিন জালিকা বা নিউক্লিও জালিকা :– কোষের বিশ্রামকালে কেন্দ্রিকায় কুন্ডলী পাকানো সূক্ষ্ম সুতার ন্যায় অংশই হল ক্রোমাটিন জালিকা ৷ কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাটো হয় তাই তখন তাদের আলাদা ক্রোমোজোম দেখা যায়।

Check This

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button