এ্যাসাইনমেন্ট

“আমার বাড়ি” কবিতায় বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য কী কী আয়ােজন ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে? কবিতায় বর্ণিত আপ্যায়নের সাথে বর্তমান সময়ের অতিথি আপ্যায়নের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলােকে লিখ

“আমার বাড়ি” কবিতায় বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য কী কী আয়ােজন ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে? কবিতায় বর্ণিত আপ্যায়নের সাথে বর্তমান সময়ের অতিথি আপ্যায়নের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলােকে লিখ।

সপ্তম শ্রেণীর সকল এসাইনমেন্ট প্রকাশের ধারাবাহিকতায় নবম সপ্তাহে নির্ধারিত বাংলা সপ্তবর্ণা পাঠ্য বইয়ের তৃতীয় এসাইনমেন্ট বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো।

৭ম শ্রেণি ৯ম অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা সমাধান

শতভাগ মূল্যায়ন নির্দেশনা অনুসরণ করে তোমাদের জন্য সপ্তম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের তৃতীয় এসাইনমেন্ট পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলোকে কবিতায় বর্ণিত আপ্যায়নের সাথে বর্তমান সময়ের অতিথি আপ্যায়নের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য চিহ্নিত করে একটি বাছাই করার নমুনা উত্তর প্রস্তুত করে দেয়া হলো।

Related Articles

“আমার বাড়ি” কবিতায় বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য কী কী আয়ােজন ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে

পল্লীকবি জসিম উদ্দিন তার “আমার বাড়ি” প্রকৃতির, অতিথি ও আপ্যায়ন এই তিনটিকে এক সুতায় বেঁধেছেন। তার কবিতায় মানবপ্রেম ও সৌজন্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এবং প্রকৃতিও যে গৃহের অথিতিকে আপ্যায়নের জন্য উন্মুখ তা এই কবিতায় ফুটে উঠেছে।  আমার বাড়ি কবিতায় কবি তার বন্ধুকে হেমন্তের শালি ধানের চিড়া, বিন্নি ধানের খই, কবরী কলা, গামছা বাঁধা দই দিয়ে আপ্যায়নের কথা বলেছেন।

নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সময়ে অতিথি আপ্যায়নের ক্ষেত্রে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নিম্নে উপস্থাপন করা হলোঃ

কবিতায় উল্লিখিত আপ্যায়নের সাথে আমার নিজের পারিবারিক জীবনের আপ্যায়নের অভিজ্ঞতার তেমন একটা সাদৃশ্য নেই বললেই চলে।

কারন, আমার বাড়িতে অতিথি আসলে সাধারণত চা-বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, বিরিয়ানি, পাস্তা, মিষ্টি, পিঠা, ফলমূল যেমন-আপেল, কমলা ইত্যাদি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মাছ-মাংস, শাক-সবজি ও ফলমূল এর ব্যবস্থা করে থাকি।

সাদৃশ্য বলতে গেলে বলা যায় যে, বর্তমান সময়ে আমরা অতিথিকে বিভিন্ন ধরনের ফুলের মালা বা ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নিই।

আর বৈসাদৃশ্য বলতে গেলে বলা যায় যে,বর্তমান সময়ে আমরা অতিথি বন্ধুর সাথে বেশি খেলাধুলা করি না বরং টিভি দেখি কিংবা ভার্চুয়াল জগত নিয়ে থাকি। ফলে প্রকৃতি দেখার সুযোগ আমাদের হয় না।

উপরিউক্ত সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য থেকে বলতে পারি যে, পূর্বে বাঙ্গালীদের অতিথি বন্ধুকে আপ্যায়নের যে একটা ঐতিহ্য ছিল সেটা এখনো কিছুটা বিদ্যমান রয়েছে। পূর্বের মত অতিথি আপ্যায়ন না করা হলেও অতিথি আপ্যায়নে কোনো কিছুর ত্রুটি রাখা হয় বলে আমার মনে হয় না।

Check This

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button